Logo
শিরোনাম :
নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর হাতকে শক্তিশালী করুন– –দুর্জয় নাগরপুরে নির্বাচনী সংহিতায় নিহত ১ গুলিবিদ্ধসহ আহত ৪ জন সৈয়দপুরে বাঁশঝাড় থেকে ২ সন্তানের জননীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার, স্বামী-শ্বাশুড়ী আটক ঘিওরে ধলেশ্বরী ক্যাফে এন্ড রেস্টুরেন্টের’ উদ্ধোধন আগামীতে বিএনপি’র মত নির্বাচনে না যাওয়ার চিন্তা ভাবনা করছে জাতীয় পার্টি- সৈয়দপুরে মজিবুল হক চুন্নু টাঙ্গাইলে পাঁচ হোটেল মালিককে ১৮ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত মানিকগঞ্জে নানা আয়োজনে নবীন আইনজীবীদের বরন  টাঙ্গাইলে পোড়াবাড়ী ইউপিতে চেয়ারম্যান পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী মিজানের মনোনয়নপত্র জমা ঘিওরে আইন শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত  দৌলতপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবি দিবস ও  মহান বিজয় উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতি মুলক সভা অনুষ্ঠিত
নোটিশ :
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি : আলহাজ্ব এ.এম নাঈমূর রহমান দূর্জয় ,সম্পাদক ও প্রকাশক মো: জালাল উদ্দিন ভিকু,সহ-মফস্বল সম্পাদক মো: জাহিদ হাসান হৃদয় ।

হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ নারীনেত্রী হওয়ায় বারবার হত্যাচেষ্টার মুখে শেখ হাসিনা

রিপোর্টার / ১০২ বার
আপডেটের সময় : সোমবার, ৯ আগস্ট, ২০২১

কালের কাগজ ডেস্ক:১০ আগস্ট, ২০২১,সোমবার।

শেখ হাসিনা নারীনেত্রী হওয়ার কারণেই বারবার জঙ্গিদের হত্যাচেষ্টার মুখে পড়তে হয়েছে বলে পর্যবেক্ষণ দিয়েছেন হাইকোর্ট। গোপালগঞ্জের কোটালিপাড়ায় সমাবেশস্থলের পাশে ৭৬ কেজি ওজনের বোমা পুঁতে রেখে শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টা মামলায় ১০ জনের মৃতু্যদন্ড বহাল রেখে হাইকোর্ট থেকে প্রকাশিত রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপিতে এমন পর্যবেক্ষণ দিয়েছেন আদালত।

সোমবার ৮৬ পৃষ্ঠার এ রায় প্রকাশ করা হয়। এর আগে রায় প্রদানকারী বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন সেলিম ও বিচারপতি মো. বদরুজ্জামান রায়ে স্বাক্ষর করেন। গত ১৭ ফেব্রম্নয়ারি বিচারপতিদ্বয় সংক্ষিপ্ত রায় দিয়েছিলেন। ৮৬ পৃষ্ঠার রায়টি বাংলায় প্রকাশ করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ডক্টর মো. বশির উলস্নাহ।

জানা গেছে, সুপ্রিম কোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রোববার এ রায়ের অনুলিপি জমা দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট হাইকোর্ট বেঞ্চে রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনার দায়িত্বে নিয়োজিত ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ডক্টর

মো. বশির উলস্নাহ বলেন, ওই মামলার রায় লেখা সম্পন্ন হয়েছে। সোমবার সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে রায়ের অনুলিপি প্রকাশ করা হয়েছে।

কোটালিপাড়ায় শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টার মামলায় (৭৬ কেজি ওজনের বোমা মামলা হিসেবে পরিচিত) ১০ জনের মৃতু্যদন্ড, একজনের যাবজ্জীবন ও একজনের ১৪ বছরের কারাদন্ড বহাল রেখে গত ১৭ ফেব্রম্নয়ারি রায় দেন হাইকোর্ট। এ রায়ে নিম্ন আদালতে ১৪ বছরের কারাদন্ডপ্রাপ্ত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক সরোয়ার হোসেন মিয়াকে খালাস দেওয়া হয়। ফাঁসির রায় অনুমোদনের জন্য নিম্ন আদালত থেকে পাঠানো ডেথ রেফারেন্স ও কারাবন্দি আসামিদের করা আপিল আবেদনের ওপর শুনানি শেষে এ রায় দেন হাইকোর্ট।

মৃতু্যদন্ড বহাল রাখা আসামিরা হলেন- ওয়াসিম আখতার ওরফে তারেক হোসেন ওরফে মারফত আলী, মো. রাশেদ ড্রাইভার ওরফে আবুল কালাম ওরফে শিমন খান, মো. ইউসুফ ওরফে আবু মুসা হারুন ওরফে মোসাহাব মোড়ল, শেখ ফরিদ ওরফে মাওলানা শওকত ওসমান, হাফেজ জাহাঙ্গীর আলম বদর, মাওলানা আবু বক্কর ওরফে হাফেজ সেলিম হাওলাদার, হাফেজ মাওলানা ইয়াহিয়া, মুফতি শফিকুর রহমান, মুফতি আবদুল হাই ও মাওলানা আবদুর রউফ ওরফে আব্দুর রাজ্জাক ওরফে আবু ওমর।

এ ছাড়া মেহেদি হাসান ওরফে গাজী খান ওরফে আবদুল ওয়াদুদকে যাবজ্জীবন এবং আনিসুল ওরফে আনিস ও মো. মহিবুলস্নাহ ওরফে মফিজুর রহমানকে দেওয়া ১৪ বছর সশ্রম কারাদন্ড বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট। তবে কারাবন্দি এই দুজনের এরই মধ্যে সাজাভোগ করা হয়ে গেলে তাদের কারাগার থেকে মুক্তি দিতে বলা হয়েছে। নিম্ন আদালতে ১৪ বছরের সশ্রম কারাদন্ডপ্রাপ্ত সরোয়ার হোসেন মিয়াকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

হরকাতুল জেহাদের শীর্ষ নেতা মুফতি আব্দুল হান্নান মামলাটির মূল আসামি ছিলেন। কিন্তু অন্য মামলায় এই জঙ্গি নেতার ফাঁসি কার্যকর হওয়ায় এ মামলা থেকে তার নাম বাদ দেওয়া হয়েছে।

২০০০ সালের ২১ জুলাই গোপালগঞ্জের কোটালিপাড়ায় শেখ লুৎফর রহমান আদর্শ কলেজ মাঠে তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সমাবেশস্থলের পাশ থেকে ৭৬ কেজি ওজনের একটি বোমা উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় কোটালিপাড়া থানায় বিস্ফোরকদ্রব্য আইনে মামলা করা হয়।

২০০১ সালের ১৫ নভেম্বর মুফতি হান্নানসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। ২০০৪ সালের ২১ নভেম্বর আদালতে আসামিদের বিরুদ্ধে বিচার শুরু হয়। আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন ৩৪ জন।

শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ আবার ক্ষমতায় আসার পর ২০০৯ সালের জুন মাসে অধিকতর তদন্ত করে আরও নয়জনকে অভিযুক্ত হিসেবে যুক্ত করে সম্পূরক চার্জশিট দেওয়া হয়। তখন মামলাটি পাঠানো হয় ঢাকা-২ দ্রম্নত বিচার ট্রাইবু্যনালে। সেই ট্রাইবু্যনালে ২০১৭ সালের ২০ আগস্ট বিচার শেষ করে রায় দেওয়া হয়। রায়ে ১০ জঙ্গির মৃতু্যদন্ড ঘোষণা করা হয়। এ রায়ে গুলি করে তাদের প্রত্যেকের মৃতু্যদন্ড কার্যকর করার কথা বলা হয়। এরপর হাইকোর্টে রায় গেলে ১০ জঙ্গির মৃতু্যদন্ড বহাল রাখা হয়। সোমবার সেই রায়ের পূর্ণাঙ্গ কপি প্রকাশিত হলো।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ

Theme Created By ThemesDealer.Com