Logo
শিরোনাম :
আখেরী মোনাজাতে লাখো মুসল্লির অংশগ্রহণে ৩ দিনের ইজতেমা শেষ শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিশ্ববিদ্যালয়ে নবনিযুক্ত উপাচার্যের যোগদান নীলফামারীতে র‌্যাবের অভিযানে ৫ জন আটক, বোমা তৈরীর সরঞ্জাম উদ্ধার রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশ স্বাধীন করেছি, এই অর্জনে মূল ভূমিকা রেখেছে ছাত্রলীগ -কৃষিমন্ত্রী দৈনিক জাগো প্রতিদিনের সম্পাদক শহীদুল্লাহ মুহাম্মদ শাহ নুরের মায়ের ইন্তেকাল রূপগঞ্জে মন্ত্রী গাজীর নির্দেশনায় আওয়ামীলীগ নেতা আনছর আলীর শীতবস্ত্র বিতরণ। সৈয়দপুরে ‘আটকেপড়া পাকিস্তানি’ নাম পরিবর্তনের দাবীতে উর্দূভাষীদের সংগঠন এসপিজিআরসি’র ৪৪ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন পাংশায় সাহিত্য উন্নয়ন পরিষদের সভা অনুষ্ঠিত জনদের সঙ্গে দেখা না করেই ফিরতে হলো হরিপুরের সীমান্তে মিলন- মেলা থেকে  টাঙ্গাইল জেলা পরিবেশক মালিক সমিতির ত্রি-বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত
নোটিশ :
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি : আলহাজ্ব এ.এম নাঈমূর রহমান দূর্জয় ,সম্পাদক ও প্রকাশক মো: জালাল উদ্দিন ভিকু,সহ-মফস্বল সম্পাদক মো: জাহিদ হাসান হৃদয় ।

মানিকগঞ্জে কৃষক হত্যা মামলায় আমৃত্যু যাবজ্জীবন কারাদন্ড

রিপোর্টার / ১০৫ বার
আপডেটের সময় : বুধবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২১

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি: ঃ ২২ সেপ্টেম্বর-২০২১,বুধবার।
মানিকগঞ্জ কৃষক হত্যা মামলায় মোঃ আজাদ (৩৫) নামের এক ব্যক্তিকে আমৃত্যু যাবজ্জীবন কারাদন্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থ দন্ড দিয়েছেন আদালত। বুধবার বিকেল ৪টার দিকে মানিকগঞ্জ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক উৎপল ভট্টাচার্য্য আসামির উপস্থিতিতে এই রায় ঘোষনা করেন। দন্ডপ্রাপ্ত আসামি মোঃ আজাদ মানিকগঞ্জ সদরের চর বেউথা এলাকার আজহার মিয়ার ছেলে। সে পেশায় রঙ মিস্ত্রীর কাজ করতেন।
আদালত ও মামলার সূত্রে জানা যায় , মানিকগঞ্জ সদর উপজেলা আন্ধারমানিক গ্রামে বাড়ি পাশে গ্রীণ হ্যাচারীর সামনে ২০১৪ সালের ১২ জানুয়ারি নিজের সরিষা খেতে বেড়া দিচ্ছিলেন কৃষক কালিচরণ মন্ডল। এসময় পার্শ্ববর্তী চর বেউথা এলাকার মোঃ আজাদ কালিচরণ মন্ডলের কাছে দা চায়। নিয়ে মোঃ আজাদের সাথে কথা কাটাকাটি হয় কৃষক কালিচরণ মন্ডলের। পরে আজাদ কৃষক কালিচরণ মন্ডলের হাতে থাকা দা কেড়ে নিয়ে তাকে ( কালিচরণ) কুপিয়ে হত্যা করে । হত্যার পরে কৃষক কালিচরণ মন্ডলের ডান হাতটি কেটে নিয়ে রাস্তায় ঘুরে বেড়ায়। পরে পুলিশ এসে আজাদকে গ্রেপ্তার করেন।
নিহতের ছেলে গোপাল মন্ডল বাদী হয়ে মানিকগঞ্জ সদর থানায় ঘটনার দিনই হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্তকারী কর্মকর্তার নাম তৎকালিন সদর থানার উপপুলিশ পরিদর্শক শাহ আলম ২০১৫ সালে ২৪ মে আদালতে মামলার অভিযোগপত্র দাখিল করেন। আদালতে বাদি পক্ষের ১৩ জন ও আসামী পক্ষে ৪ জনের স্যাগ্রহন করা হয়। আজাদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় ১৮৬০ এর ৩০২ ধারার অপরাধে দোষী সাব্যস্তক্রমে আসামির স্বাভাবিক মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত যাবজ্জীবন কারাদন্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদন্ডে দন্ডিত করেন বিচারক উৎপল ভট্রাচার্য্য।
রায়ে রাস্ট্র পরে আইনজীবী এ পি পি মথুরনাথ সরকার সন্তোষ প্রকাশ করলেও আসামী পরে আইজীবী এটিএম শাহজাহান উচ্চ আদালতে আপিলের কথা জানান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ

Theme Created By ThemesDealer.Com