Logo
শিরোনাম :
মায়ের কান্না কলমে শেখ মনির জন্মদিন উপলক্ষ্যে মানিকগঞ্জে রানা করা খাবার বিতরণ আখেরী মোনাজাতে লাখো মুসল্লির অংশগ্রহণে ৩ দিনের ইজতেমা শেষ শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিশ্ববিদ্যালয়ে নবনিযুক্ত উপাচার্যের যোগদান নীলফামারীতে র‌্যাবের অভিযানে ৫ জন আটক, বোমা তৈরীর সরঞ্জাম উদ্ধার রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশ স্বাধীন করেছি, এই অর্জনে মূল ভূমিকা রেখেছে ছাত্রলীগ -কৃষিমন্ত্রী দৈনিক জাগো প্রতিদিনের সম্পাদক শহীদুল্লাহ মুহাম্মদ শাহ নুরের মায়ের ইন্তেকাল রূপগঞ্জে মন্ত্রী গাজীর নির্দেশনায় আওয়ামীলীগ নেতা আনছর আলীর শীতবস্ত্র বিতরণ। সৈয়দপুরে ‘আটকেপড়া পাকিস্তানি’ নাম পরিবর্তনের দাবীতে উর্দূভাষীদের সংগঠন এসপিজিআরসি’র ৪৪ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন পাংশায় সাহিত্য উন্নয়ন পরিষদের সভা অনুষ্ঠিত
নোটিশ :
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি : আলহাজ্ব এ.এম নাঈমূর রহমান দূর্জয় ,সম্পাদক ও প্রকাশক মো: জালাল উদ্দিন ভিকু,সহ-মফস্বল সম্পাদক মো: জাহিদ হাসান হৃদয় ।

কারা, কেন, কী কারণে, কোন সুখের স্বপ্নে বিএনপিকে ভোট দেবে: শেখ হাসিনা

রিপোর্টার / ৬০ বার
আপডেটের সময় : সোমবার, ৪ অক্টোবর, ২০২১

কালের কাগজ ডেস্ক:০৪ অক্টোবর, ২০২১,সোমবার।

আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশের মানুষ বিএনপির সময়ে কী পেয়েছে আর আওয়ামী লীগের সময়ে কী পেয়েছে, সেটার তুলনা করতে হবে। জনগণ কাকে ভোট দেবে, আওয়ামী লীগের বাইরে আর কে আছে? তিনি বলেন, কারা, কেন, কী কারণে, কোন সুখের স্বপ্নে, কোন আশায় বিএনপিকে ভোট দেবে?

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৬তম অধিবেশনে অংশগ্রহণ ও সফর নিয়ে আজ সোমবার গণভবনে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন শেখ হাসিনা। সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবও দেন। তিনি বলেন, বিএনপি জানে, নির্বাচনে জিততে পারবে না। জেতার সম্ভাবনা নেই বলেই বিএনপি নির্বাচনকে বিতর্কিত করছে, মানুষের মধ্যে দ্বিধা সৃষ্টির চেষ্টা করছে।

আগামী নির্বাচনের প্রস্তুতি বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘বিএনপি জানে, নির্বাচনে জিততে পারবে না। একটা দল কীভাবে জিতবে? তাদের নেতৃত্ব কোথায়? একজন এতিমের টাকা আত্মসাৎ করে সাজাপ্রাপ্ত আসামি। আরেকজন ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা, ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামি, দেশান্তরি। বিএনপি তাদের নেতৃত্বে রেখেছে। জনগণ কোন ভরসায় ওই দলকে ভোট দেবে? তারা তো ইলেকশনও করতে পারবে না। এর ফল হচ্ছে, তারা যে নির্বাচনে জিতবে বা যেতে পারে, এই বিশ্বাস তাদের নেই। তারা জানে, তাদের কোনো সম্ভাবনা নেই।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘জনগণ তাদের (বিএনপিকে) ভোট দেবে কেন? জনগণ ভোট দিতে পারছে না, এই প্রশ্ন যারা করে, আওয়ামী লীগের বাইরে আর কে আছে? কাকে ভোট দেবে? কার কাছ থেকে মানুষ কী পেয়েছে? ১৯৭৫ থেকে ১৯৯৬, ২০০১ থেকে ২০০৮ পর্যন্ত মানুষ কী পেয়েছে? সে তুলনা করে বিবেচনা করেন। ক্ষমতা আমার কাছে ভোগের বস্তু না। শুধু ক্ষমতা পাওয়ার জন্য ক্ষমতা না। ক্ষমতায় গেলে মানুষের জন্য কাজ করতে হবে। মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করতে হবে।’

করোনার মধ্যেও ভোটাররা নির্বাচনে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে অনেক চেষ্টা করা হয়েছে। নির্বাচন যেন ঠিকভাবে না হয়, মানুষ যেন অংশ না নেয়, সে জন্য অগ্নিসন্ত্রাস থেকে হেন কোনো কাজ নেই, যা করা হয়নি। তারপরেও নির্বাচন হয়েছে। নির্বাচনের পরে স্থিতিশীল পরিবেশ ছিল বলেই আজ যত উন্নয়ন, তা করা সম্ভব হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘করোনা এসে উন্নয়ন কার্যক্রমে কিছুটা বাধা দিয়েছে। কিন্তু বসে থাকিনি। অনেক দেশে খাদ্যাভাব। কিন্তু আমাদের দেশে অভাব হয়নি। ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ চলে গেছে। ডিজিটাল বাংলাদেশ করে দিয়েছি, টেলিভিশন দিয়েছি, মোবাইল ফোন দিয়েছি, বিদ্যুৎ দিয়েছি। এত সুবিধা পেয়েও গালিটা আমাকে বা আওয়ামী লীগকেই দিচ্ছে। বাঙালির চরিত্রেই আছে, ভালো করলে মুখ ঘুরিয়ে বসে থাকা। আমরা করলাম কেন?’

বিএনপির প্রতিষ্ঠার বিষয়ে প্রশ্ন তুলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, যেসব রাজনৈতিক দল, বিশেষ করে বিএনপিসহ যারা কথা বলে, তারা নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন তোলে, এই দলের জন্ম কীভাবে? এই দল কি নির্বাচিত কোনো জনপ্রতিনিধির মাধ্যমে হয়েছে? বা এমন কোনো নেতৃত্বের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত, যারা জনগণের মৌলিক চাহিদা নিয়ে সংগ্রাম করেছে? তা তো না। সুবিধাবাদী ও অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলকারীর হাতে তৈরি করা সংগঠন।

২০০৮ সালের নির্বাচন নিয়ে বিএনপি কোনো অভিযোগ করে না উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘২০০৮ সালের নির্বাচনে তারা জিততে পারেনি কেন? তখন প্রশ্ন তোলেনি কেন? এরপর যত নির্বাচন হয়েছে, মানুষ তো ভোট দিয়েছে। আধুনিক প্রযুক্তিতে গেলাম, সেই ইভিএম নিয়েও প্রশ্ন। সম্ভাবনা নেই, তাই যেভাবেই হোক সেটাকে বিতর্কিত করা, মানুষের মধ্যে দ্বিধা সৃষ্টি করা, মানুষের ক্ষতি করা, এটাই তাদের চেষ্টা।’

বিএনপির শাসনামলের সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ২০০১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় এল। তাদের জঙ্গিবাদ, বাংলা ভাই, বোমা হামলা, সারা বাংলাদেশে গ্রেনেড হামলায় মানুষের জীবনের কোনো নিশ্চয়তা ছিল না। হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান কেউ বাদ যায়নি বিএনপির অত্যাচার থেকে। পাঁচবার দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন।

শেখ হাসিনা বলেন, ২০০৮ সালে জনগণ আওয়ামী লীগকেই ভোট দিল। ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত জনগণ অন্তত এটুকু পেয়েছিল, সরকার মানেই জনগণের সেবক। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হয়। আওয়ামী লীগ সরকার এসেছিল বলেই এত টেলিভিশন। হাতে হাতে মোবাইল ফোন। ডিজিটাল বাংলাদেশ নিয়েও ব্যঙ্গ করা হয়েছিল। কিন্তু সেটাও তো হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৬তম অধিবেশন ও অন্যান্য উচ্চপর্যায়ের পার্শ্ব-আলোচনায় যোগদান শেষে গত শুক্রবার রাতে ওয়াশিংটন ডিসি থেকে ফিনল্যান্ডের রাজধানী হেলসিংকি হয়ে দেশে ফেরেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ

Theme Created By ThemesDealer.Com