Logo
শিরোনাম :
আখেরী মোনাজাতে লাখো মুসল্লির অংশগ্রহণে ৩ দিনের ইজতেমা শেষ শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিশ্ববিদ্যালয়ে নবনিযুক্ত উপাচার্যের যোগদান নীলফামারীতে র‌্যাবের অভিযানে ৫ জন আটক, বোমা তৈরীর সরঞ্জাম উদ্ধার রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশ স্বাধীন করেছি, এই অর্জনে মূল ভূমিকা রেখেছে ছাত্রলীগ -কৃষিমন্ত্রী দৈনিক জাগো প্রতিদিনের সম্পাদক শহীদুল্লাহ মুহাম্মদ শাহ নুরের মায়ের ইন্তেকাল রূপগঞ্জে মন্ত্রী গাজীর নির্দেশনায় আওয়ামীলীগ নেতা আনছর আলীর শীতবস্ত্র বিতরণ। সৈয়দপুরে ‘আটকেপড়া পাকিস্তানি’ নাম পরিবর্তনের দাবীতে উর্দূভাষীদের সংগঠন এসপিজিআরসি’র ৪৪ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন পাংশায় সাহিত্য উন্নয়ন পরিষদের সভা অনুষ্ঠিত জনদের সঙ্গে দেখা না করেই ফিরতে হলো হরিপুরের সীমান্তে মিলন- মেলা থেকে  টাঙ্গাইল জেলা পরিবেশক মালিক সমিতির ত্রি-বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত
নোটিশ :
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি : আলহাজ্ব এ.এম নাঈমূর রহমান দূর্জয় ,সম্পাদক ও প্রকাশক মো: জালাল উদ্দিন ভিকু,সহ-মফস্বল সম্পাদক মো: জাহিদ হাসান হৃদয় ।

ঘিওরে পঃ পঃ বিভাগের চিকিৎসকের কক্ষ তালাবদ্ধ পোনে ২ বছর চিকিৎসা সেবা বঞ্চিত মা ও শিশু রোগীরা

রিপোর্টার / ৫৩ বার
আপডেটের সময় : রবিবার, ১৪ নভেম্বর, ২০২১

রামপ্রসাদ সরকার দীপু স্টাফ রিপোর্টার:১৪ নভেম্বর-২০২১,রবিবার।
মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলা পরিবার -পরিকল্পনা বিভাগের মেডিক্যাল অফিসার (মা ও শিশু) না থাকার দরুন এই বিভাগের জন্ম নিয়ন্ত্রণের স্থায়ী ও দীর্ঘ মেয়াদী পদ্ধতি গ্রহনে এবং মা ও শিশু স্বাস্থ্য সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। পোনে ২ বছর যাবৎ তার কক্ষটি তালাবদ্ধ রয়েছে। এলাকার শত শত মা ও শিশু চিকিৎসা সেবা পাচ্ছেনা। সরকার সারা দেশে তৃনমুলে স্বাস্থ্য সেবা দোর গোরায় পৌছে দেবার লক্ষে ব্যাপক কাজ করলেও ঘিওরে ঘটছে উল্টা চিত্র।
জানা গেছে, পঃ পঃ বিভাগের ডাঃ শামীম মোঃ আকরাম ১৫-০২-২০ এং তারিখে বদলী হয়। এই কারনে গত পোনে দুই বছর যাবৎ এখানে কোন চিকিৎসক নেই। সংশ্লিষ্ট বিভাগের চিকিৎসকের কক্ষটি আজ প্রায় পোনে ২ বছর যাবৎ তালা বন্ধ রয়েছে। ঘিওর ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডের মা ও শিশু রোগীরা প্রতিদিন বিভিন্ন ধরনের চিকিৎসা নিতে এসে ফিরে যাচ্ছে। সব চেয়ে গর্ভবতী মায়েদের এবং শিশু রোগীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। নাম প্রকাশ না করার শর্থে একজন কমচারী জানান, উপজেলাতে বর্তমানে ১৪০ জন গর্ভবর্তী মা আছেন । এবং সারে তিন শতাধিক শিশু রয়েছে তাদের চিকিৎসার ক্ষেত্রে অসুবিধা হচ্ছে। গর্ভবতী মা ও শিশু রোগীদের চিকিৎসা সেবার ক্ষেত্রে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
উপজেলা পঃ পঃ কার্যালয় সরাসরি ইউনিয়ন পর্যায়ে নিজস্ব ৩টি মা ও শিশু কল্যান কেন্দ্র পরিচালনা করেন। কিন্তু দূঃখ জনক হলেও সত্য এই সব কেন্দ্রগুলোতে কোন চিকিৎসক নেই। উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিক্যাল কর্মকর্তাই এক মাত্র ভরসা। তারা কোনমত চিকিৎসা সেবা দিচ্ছে। এর মধ্যে বড়টিয়াতে একজন কর্মচারী দিয়ে চলছে পুরো অফিসের কার্যক্রম। ২ দিন স্যাটেলাইট প্রোগ্রাম করেন। বাকি ৩দিন অনুপুস্থিত থাকেন। কখনও কখনও হাজিরা খাতায় সহি করে চলে যান বলে এলাকার লোকজন জানিয়েছেন। কেন্দ্রগুলোতে সঠিক মনিটরিং ও তদারকি করা করায় হযবরল অবস্থার মধ্যেই চলছে চিকিৎসা সেবা।
উপজেলা পঃ পঃ কল্পনা কর্মকর্তা মোঃ আরিফুর রহমান জানান, আমাদের জরুরী ভিত্তিত্বে মেডিক্যাল অফিসার দরকার। আমি যথারিতি আমাদের উপরোক্ত কর্মকর্তাদের অবগত করেছি।
এলাকার অভিজ্ঞ মহল এবং শুশিল সমাজের প্রতিনিধিগন জরুরী ভিত্তিত্বে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ

Theme Created By ThemesDealer.Com