Logo
শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর এসডিজি পুরস্কার বাংলাদেশের ইতিহাসে মাইলফলক হয়ে থাকবে : সেতুমন্ত্রী কোনো সাংবাদিক অহেতুক হয়রানির শিকার হবেন না : তথ্যমন্ত্রী মাধবপুরে পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু পৌর মেয়রের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ ও প্রতারণার মামলায় সৈয়দপুরে তোলপাড়  মানিকগঞ্জে মাদ্রসার ছাত্রকে বলাৎকার, অধ্যক্ষসহ গ্রেপ্তার তিন মানিকগঞ্জে কৃষক হত্যা মামলায় আমৃত্যু যাবজ্জীবন কারাদন্ড নাগরপুরে মাসকলাই বীজ ও সার বিতরণ টাঙ্গাইল জেলা যুবলীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের ৭৬তম অধিবেশনের উদ্বোধনী দিনে প্রধানমন্ত্রীর যোগদান ঘুম ঘুম অবস্থায় ছিলেন বাস চালক, অতপর নিয়ন্ত্রণ হা‌রিয়ে খা‌দে পড়ল বাস
নোটিশ :
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি : আলহাজ্ব এ.এম নাঈমূর রহমান দূর্জয় ,সম্পাদক ও প্রকাশক মো: জালাল উদ্দিন ভিকু,সহ-মফস্বল সম্পাদক মো: জাহিদ হাসান হৃদয় ।

ঘিওরে ঝুঁকিপূর্ন পাকা সেতুর উপর দিয়ে ১৫টি গ্রামের মানুষের চলাচলে চরম দুর্ভোগ

রামপ্রসাদ সরকার দীপু / ১১২ বার
আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ২৭ জুলাই, ২০২১

রামপ্রসাদ সরকার দীপু ,স্টাফ রিপোর্টার :২৭ জুলাই-২০২১,মঙ্গলবার।
মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার কুস্তা ইছামতি নদীর উপর নির্মিত সেতুটি গত কয়েক বছরের বন্যায় দু’ পাশের পাটাতন সম্পূর্ন ধ্বসে যায়। এলাকার লোকজন ধ্বসে যাওয়া ক্ষতিগ্রস্থ সেতুর উপরে বাঁশের সাকো দিয়ে যাতায়াতের ব্যবস্থা করে। দীর্ঘ ১৯টি বছরেও সেতুটি মেরামত না করায় প্রায় ১৫/১৬টি গ্রামের ৬০ হাজার লোকজনের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাঁশের সাকোর উপর দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিন যাতায়াত করতে হচ্ছে।
জানা গেছে, উপজেলা এলজিইডি ২০০২ সালে ইছামতি নদীর উপর প্রায় ১২ লাখ টাকা ব্যয়ে এই সেতুটি নির্মান করে। গত কয়েক বছর যাবৎ নদী ভাঙ্গনে সেতুটির পশ্চিম পাশের সম্পূর্ন অংশ নদীতে বিলিন হয়ে যায়। এবং পূর্ব পাশের দুইটি পাটাতন ধ্বসে যায়। ফলে, এলাকার লোকজন যাতায়াতের জন্য ক্ষতিগ্রস্থ সেতুটির উপরে বাঁশের সাঁকো নির্মান করে কোন রকম যাতায়াতের ব্যবস্থা করে। প্রতি দিন কুস্তা, ঠাকুরকান্দি, ভররা, বিনোদপুর, খলসী, কুমুরিয়া, বনগাঁও, নারচি, ও জিয়নপুর ইউনিয়নসহ ১৫/১৬টি গ্রামের শত শত লোকজন এই সড়ক দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াতের ক্ষেত্রে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। এলাকার ব্যবসায়ীদের পণ্য সামগ্রী আনা নেওয়ার ক্ষেত্রেও অধিক ভাড়া ব্যয় করতে হচ্ছে। কোন ধরনের যানবাহনও চলাচল করতে পারছেনা। বন্যার সময় স্কুল, কলেজের ছাত্রছাত্রীসহ এলাকার বহু লোকজনের দুঃখ কষ্টের সীমা থাকেনা। ইছামতী শাখা নদীর প্রচন্ড স্রোতের কারনে প্রতি বছর বহু বাড়ি ঘড় নদী গর্ভে বিলিন হয়ে যাচ্ছে। চলতি বছর ১২টি বাড়ি এবং সেতুটির পশ্চিম পাশের অংশ নদীতে বিলিন হয়ে যায়। বাপ, দাদাদের বসত বাড়ি নিয়ে নদীর পাশর্^বর্তী লোকজন বন্যার সময় আংর্তকে মধ্যে দিন কাটায়। ঘিওর গরু, হাট, রামকান্তপুর, কুস্তা কফিল উদ্দিন দরজী উচ্চ বিদ্যালয়, কুস্তা কবর স্থান, বেপারী পাড়া কবরস্থান কয়েক দিনের প্রবল বর্ষণে নদী ভাংঙ্গনে হুমকির মধ্যে রয়েছে।
উপজেলা আওয়ামীলীগ সহ-সভাপতি মোঃ ইকরামুল ইসলাম খবির সাংবাদিকদের জানান, এই সিতুটির উপর দিয়ে প্রতিদিন প্রায় ১৫/১৬টি গ্রামের বহু লোকজন যাতায়াত করে থাকে। সাম্প্রতিক কালের কয়েক বছরের বন্যায় আমাদের সেতুটি সম্পূর্নভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়। গ্রামবাসীদের উদ্যোগে বাঁশের সাঁকো দিয়ে কোন রকম যাতায়াতের ব্যবস্থা করা হয়। তবে,দ্রুত নতুন সেতু নির্মান করা প্রয়োজন।
ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ অহিদুল ইসলাম টুটুল জানান, আমি সেতুটি নির্মানের জন্য উপজেলা প্রশাসনের সাথে কয়েক দফায় আলাপ করেছি। শত বছরের এই ঐতিহ্যবাহী রাস্তাটি দিয়ে ১৫/১৬টি গ্রামের লোকজন যাতায়াত করে। বর্তমানে হাজার হাজার লোকজন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এই সেতুটির উপর দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাঁশের সাঁকোর উপর দিয়ে যাতায়াত করছে। তবে যে কোন সময় বড় ধরনের দুঃর্ঘটনার আশংকা করছে এলাকার লোকজন।
উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ সাজ্জাকুর রহমান জানান, আমি সরেজমিন ক্ষতিগ্রস্থ সেতুটি পরিদর্শন করেছি। সেতুটি নির্মানের প্রস্তাব পাঠিয়েছিলাম কিন্তু এপ্রোচ সড়ক না থাকার দারুন সেতুটি করা যাচ্ছেনা। এলাকার অভিজ্ঞ মহল,সাধারন লোকজন এবং সুশিল সমাজের প্রতিনিধিগন অবিলম্বে সেতুটি নির্মানের জন্য উর্দ্ধতন কর্তপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ

Theme Created By ThemesDealer.Com