Logo
শিরোনাম :
পাংশায় প্রতিপক্ষের দুইদফায় হামলায় পিতা-পুত্র হাসপাতালে বাংলাদেশের ‘অভাবনীয়’ সাফল্যের প্রশংসায় জাতিসংঘ মহাসচিব মানিকগঞ্জে ব্যস্ত সময় পার করছে ৫ শতাধিক ঢাক- ঢোল তৈরির কারিগররা ঘিওরের বড়টিয়া ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রটির ৪টি পদ শূণ্য ।শত শত রোগীরা চিকিৎসা বঞ্চিত দৌলতপুরে ৮ ইউনিয়নে নির্বাচনী হাওয়া বইছে। প্রার্থীদের মনোনয়ন পেতে দৌড়ঝাপ । শনিবার থেকে বিমানবন্দরে পিসিআর ল্যাবে করোনা পরীক্ষা শুরু জাতিসংঘের উচ্চপর্যায়ের আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গা প্রত্যাবসনে আন্তর্জাতিক শক্তির নিষ্ক্রিয়তায় মর্মাহত বাংলাদেশ পাংশায় যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উদ্যোগে মহিলাদের ৭দিন ব্যাপী হস্তশিল্প প্রশিক্ষণের উদ্বোধন পাংশায় হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত ২১০টি অনিয়মিত পত্রিকা বাতিলে তালিকা করা হয়েছে: তথ্যমন্ত্রী
নোটিশ :
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি : আলহাজ্ব এ.এম নাঈমূর রহমান দূর্জয় ,সম্পাদক ও প্রকাশক মো: জালাল উদ্দিন ভিকু,সহ-মফস্বল সম্পাদক মো: জাহিদ হাসান হৃদয় ।

শিশু সন্তানসহ ফেরির পন্টুন থেকে পদ্মা নদীতে পড়ে গেলেন মা

রিপোর্টার / ৪৭ বার
আপডেটের সময় : শনিবার, ১৪ আগস্ট, ২০২১

শরফিুল ইসলাম বাচ্চু, গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী) প্রতিনিধি:১৪ আগস্ট-২০২১,শনিবার।
ফেরিতে উঠতে গিয়ে রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ঘাটে ফেরির পন্টুন থেকে চার বছরের শিশু সন্তানসহ পদ্মা নদীতে পড়ে যায় এক মা।

এসময় তাৎক্ষনিক ভাবে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মনির হোসেন নামের এক ফেরির অস্থায়ী স্টাফ ওই নারী ও শিশুটিকে উদ্ধার করেন। শুক্রবার (১৩আগস্ট) সকাল ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

উদ্ধারকৃত রোকসানা ইয়াসমিন (২৯) মাগুরা জেলার শ্রীপুর উপজেলার কুশা ইসাপুর গ্রামের হাসানুজ্জামানের স্ত্রী। তাদের শিশু সন্তানের নাম মেহেরাব হোসেন (৪)।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, ওই নারী শুক্রবার সকল ৯টার দিকে স্বামীর সাথে দৌলতদিয়া ঘাট দিয়ে নদী পারি দিয়ে ঢাকায় যাওয়ার উদ্দেশ্যে আমানত শাহ ফেরিতে উঠছিলেন। তার স্বামী দ্রæত ফেরিতে উঠে গেলেও তিনি একটু পেছনে পড়ে যান। এসময় ফেরি থেকে হানিফ পরিবহনের একটি বাস নামছিল। বাসটি নামার সময় তাদেরকে চাপ দিলে শরীরের ভারসাম্য রক্ষা করতে না পেরে পন্টুনের র‌্যাম থেকে কোলের শিশুকে নিয়ে পদ্মায় পড়ে যান। পদ্মার তীব্র ¯্রােত তাদেরকে ভাসিয়ে নিয়ে যাচ্ছিল। এসময় সেখানে কর্মরত ফেরির স্টাফ মনির হোসেন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তাদেরকে উদ্ধার করতে লাফিয়ে পড়েন। তিনি তাদেরকে ধরে শিশুটিকে উদ্ধার করতে পারলেও ওই নারীকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারছিলেন না। বিষয়টি দেখে তার স্বামীও ফেরি থেকে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে অন্যান্যদের সহযোগিতায় তাকে উদ্ধার করেন।

ফেরির অস্থায়ী স্টাফ মনির হোসেন বলেন, আমি পন্টুনে ফেরির টিকিট পরীক্ষা করছিলাম। এসময় হঠাৎ ওই গৃহবধু ও শিশুটি নদীতে পড়ে যায়। তা দেখে তাদের উদ্ধার করতে আমিও নদীতে ঝাঁপ দেই। এসময় নারী ও শিশুটিকে সহজেই ধরতে পারলেও তীব্র ¯্রােতের কারণে ওই নারীটিকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারছিলাম না। পরে তার স্বামী নদীতে ঝাঁপ দিলে দুজনে মিলে তাদেরকে উদ্ধার করি।

ওই নারীর স্বামী হাসানুজ্জামান বলেন, আমি ঢাকায় একটি বেসরকারী কোম্পানীতে চাকরী করি। করোনার কারণে মাস দেড়েক আগে স্ত্রী ও সন্তানকে রাজবাড়ী সদর উপজেলার খানখানাপুরে শশুর বাড়িতে রেখে যাই। লকডাউন শিথিল করায় আজকে তাদেরকে নিয়ে ঢাকায় যাচ্ছিলাম। এসময়ই এ দূর্ঘটনাটি ঘটে। বর্তমানে স্ত্রী সন্তান দুজনেই ভাল ও সুস্থ আছে। তাদেরকে নিয়ে আপাতত শশুর বাড়িতেই ফিরে যাচ্ছি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ

Theme Created By ThemesDealer.Com