Logo
শিরোনাম :
পাংশায় প্রতিপক্ষের দুইদফায় হামলায় পিতা-পুত্র হাসপাতালে বাংলাদেশের ‘অভাবনীয়’ সাফল্যের প্রশংসায় জাতিসংঘ মহাসচিব মানিকগঞ্জে ব্যস্ত সময় পার করছে ৫ শতাধিক ঢাক- ঢোল তৈরির কারিগররা ঘিওরের বড়টিয়া ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রটির ৪টি পদ শূণ্য ।শত শত রোগীরা চিকিৎসা বঞ্চিত দৌলতপুরে ৮ ইউনিয়নে নির্বাচনী হাওয়া বইছে। প্রার্থীদের মনোনয়ন পেতে দৌড়ঝাপ । শনিবার থেকে বিমানবন্দরে পিসিআর ল্যাবে করোনা পরীক্ষা শুরু জাতিসংঘের উচ্চপর্যায়ের আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গা প্রত্যাবসনে আন্তর্জাতিক শক্তির নিষ্ক্রিয়তায় মর্মাহত বাংলাদেশ পাংশায় যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উদ্যোগে মহিলাদের ৭দিন ব্যাপী হস্তশিল্প প্রশিক্ষণের উদ্বোধন পাংশায় হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত ২১০টি অনিয়মিত পত্রিকা বাতিলে তালিকা করা হয়েছে: তথ্যমন্ত্রী
নোটিশ :
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি : আলহাজ্ব এ.এম নাঈমূর রহমান দূর্জয় ,সম্পাদক ও প্রকাশক মো: জালাল উদ্দিন ভিকু,সহ-মফস্বল সম্পাদক মো: জাহিদ হাসান হৃদয় ।

ঘিওরে চালের লক্ষ্য মাত্রা পূরণ । ধানে কৃষকের আগ্রহ কম

রিপোর্টার / ৪৭ বার
আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২১

রামপ্রসাদ সরকার দীপু স্টাফ রিপোর্টার ঃ১৪ সেপ্টেম্বর-২০২১,মঙ্গলবার।
মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার অভ্যন্তরীণ বোরো মৌসুমে সরকারিভাবে চাল সংগ্রহ অভিযানে সফলতা হলেও খাদ্যগুদামে ধান সংগ্রহ অভিযান ব্যর্থ হয়েছে। লক্ষ্যমাত্রার শতভাগ চাল সংগ্রহ করতে পেরেছে স্থানীয় খাদ্য বিভাগ। নির্ধারিত সময় অতিবাহিত হবার পরেও এলাকার কৃষকেরা খাদ্যগুদামে ধান দেয়নি। খোলা বাজারে ধানের দাম বেশি পাবার কারনে তারা হাট বাজারে ধান বিক্রি করেছে। তবে নির্ধারিত সময়ে মাত্র ২০৭ মেঃ টন ধান সংগ্রহ করা হয়েছে। চাল অভিযান সফলতা হলেও বোরো ধান সংগ্রহ ভেস্তে যায়।
উপজেলা খাদ্য অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছর ২৫ মে থেকে বোরো ধান সংগ্রহ ও মে মাসের ২য় সপ্তহে থেকে চাল সংগ্রহ অভিযান শুরু হয়েছে। সংগ্রহ অভিযান চলে ৩১ আগষ্ট পর্যন্ত। সরকারের টার্গেট ৯৩৬ মেঃ টন বোরো ধান। ২২ মেঃ টন চাল নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু ধান সংগ্রহ হয় মাত্র ২০৭ টন।
উপজেলা ধান ও চাল ক্রয় কমিটির মাধ্যমে অডিটরিয়ামে সরাসরি লটারীর মাধ্যমে কৃষদের নামের তালিকা সংগ্রহ এবং যাচাই বাছাই করা হয়। পরে কৃষকদের কাছ থেকে সরাসরি ধান কেনা সকল প্রকার ব্যবস্থা করা হয়। জমির পরিমান অনুযায়ী কোন কৃষক কী পরিমান ধান দিতে পারবেন তা খোলামেলা আলোচনা করা হয়। প্রতি কৃষক ১ থেকে ২ টন পর্যন্ত ধান দিতে পারবে খাদ্য গুদামে। এ ব্যাপারে দৈনিক কালের কাগজকে  জানান,খাদ্য বিভাগের পক্ষ থেকে মাইকিং,ব্যাপক প্রচার প্রচারনা ও কৃষকদের তাগাদা দিলেও তারা ধান দিতে আসেনি। স্থানীয়ভাবে হাট বাজারে ধানের মূল্য বেশি থাকার কারনে ধান বিক্রি করেনি ক্ষুদ্র কৃষকেরা। বর্তমানে জেলার ঐতিহ্যবাহী ঘিওর হাট বাজারে প্রতি মন শুকনা ধান ১১০০ টাকা থেকে ১১৭০ টাকা মনে ধান বিক্রি হচ্ছে। অথচ সরকার প্রতি মন ধানের মূল্য নির্ধারন করেছে ১০৮০ টাকা। এর পরে টাকা উত্তোলনে নানা ধরনের ঝামেলা থাকায় সাধারন কৃষকেরা মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে।
ঘিওর বাজারের ধান ব্যবসায়ী আনোয়ার, হারান ঘোষ, মোনায়েমসহ অনেক ব্যবসায়ী  দৈনিক কালের কাগজকে জানান, বাজারে প্রতি মন শুকনা ধান বর্তমানে ১১৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। অন্যান্য বছরের চেয়ে এবার ধানের মূল্য বেশি থাকার দরুন খাদ্যগুদানে কৃষকের ধান বিক্রি করেনি।
উপজেলা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসিএলএসডি) নিতীশ চন্দ্র দাশ জানান, আমরা সরকারি বিধি মোতাবেক চাল ও ধান ক্রয়ের ব্যবস্থা করেছি। চালের লক্ষমাত্রা পূরণ করা হয়েছে। তবে হাট বাজারে বোরে ধানের দাম বেশি থাকার কারনে অনেক চেষ্টা করেও কৃষকদের কাছ থেকে ধান সংগ্রহ করা যায়নি।
উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ শফিকুল আলম অফিসে না থাকার দরুন তার সাক্ষাত নেওয়া সম্ভব হয়নি।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ

Theme Created By ThemesDealer.Com