Logo
শিরোনাম :
মানিকগঞ্জ জেলা পুলিশ **আমরা গর্বিত, আমরা উজ্জীবিত ** পাংশা সরকারী খাদ্য গুদাম পরিদর্শন করলেন আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক নাগরপুরে ৪ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী জহুরুল গ্রেফতার টাঙ্গাইল জেলা পরিবেশক মালিক সমিতির অফিস উদ্ধোধন শিবালয়ে ইউপি নির্বাচন ৯ বিদ্রোহী প্রার্থী বহিস্কার ঘিওর প্রেসক্লাবের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচনে সভাপতি-আনোয়ারুল- সম্পাদক- দীপু সৈয়দপুরে মাইক্রো-মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে একজন নিহত, দুইজন আহত গোয়ালন্দে পুলিশের অভিযানে মাদকসহ পলাতক আসামী গ্রেপ্তার রূপগঞ্জে রংধনু গ্রুপের উদ্যােগ ১০ হাজার শীতবস্ত্র বিতরন মানিকগঞ্জে ৭টি উপজেলাতে আলুর কেজি ৮ টাকা তবুও ক্রেতা নেই
নোটিশ :
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি : আলহাজ্ব এ.এম নাঈমূর রহমান দূর্জয় ,সম্পাদক ও প্রকাশক মো: জালাল উদ্দিন ভিকু,সহ-মফস্বল সম্পাদক মো: জাহিদ হাসান হৃদয় ।

টাঙ্গাইলে এবার টানা ১৬ বার নামঞ্জুর হলো মুক্তির জামিন

রিপোর্টার / ৪৩ বার
আপডেটের সময় : সোমবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২১

মুক্তার হাসান,টাঙ্গাইল প্রতিনিধি ঃ২৫ অক্টোবর-২০২১,সোমবার।

টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলার আসামী সাবেক পৌর মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তির জামিন আবেদন সোমবার (২৫ অক্টোবর) আবার নামঞ্জুর করেছেন আদালত। এ নিয়ে ১৬ বারের মতো তার জামিন আবেদন আদালত নামঞ্জুর করলেন।
মুক্তি টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের সাবেক এমপি আমানুর রহমান খান রানার ভাই এবং ওই আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় বর্তমান এমপি আতাউর রহমান খানের ছেলে। প্রায় ১১ মাস ধরে তিনি কারাগারে রয়েছেন।
টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত সরকারি কৌশুলি মনিরুল ইসলাম খান জানান, টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে মুক্তির আইনজীবীরা তার জামিন আবেদন করেছিলেন। আজ (সোমবার) এই আবেদনের শুনানির দিন ধার্য ছিল। শুনানিকালে আইনজীবীরা যে কোন শর্তে সহিদুর রহমান খানের মুক্তির জামিন প্রার্থণা করেন। শুনানি শেষে আদালতের বিচারক মাসুদ পারভেজ আবেদন নামঞ্জুর করেন।
ফারুক আহমেদ হত্যা মামলায় অভিযুক্ত হওয়ার পরে দীর্ঘ ছয় বছর পলাতক থাকার পর গত ২ ডিসেম্বর সহিদুর রহমান খান মুক্তি টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠিয়ে দেন। তারপর থেকে তিনি টাঙ্গাইল জেলা কারা হেফাজতে আছেন।
গত ১৮ আগস্ট সহিদুর রহমান খান মুক্তি কারাগারে অসুস্থ হওয়ার পর তাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে আনা হয়েছিল। সেখানে প্রায় এক মাস চিকিৎসা শেষে তাকে আবার টাঙ্গাইল কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
প্রসঙ্গত, ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ফারুক আহমেদের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার তিন দিন পর তার স্ত্রী নাহার আহমেদ বাদি হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন। মামলায় ২০১৪ সালের আগস্টে গোয়েন্দা পুলিশ আনিসুল ইসলাম রাজা ও মোহাম্মদ আলী নামের দুই জনকে গ্রেপ্তার করে। আদালতে এ দুই জনের স্বীকারোক্তিতে এই হত্যার সঙ্গে তৎকালীন এমপি আমানুর রহমান খান রানা, তার তিন ভাই টাঙ্গাইল পৌরসভার তৎকালীন মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তি, ব্যবসায়ী নেতা জাহিদুর রহমান খান কাকন ও ছাত্রলীগের তৎকালীন কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি সানিয়াত খান বাপ্পার জড়িত থাকার বিষয়টি উঠে আসে। এরপর অভিযুক্তরা আত্মগোপনে চলে যান। আমানুর রহমান খান রানা ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে আত্মসমর্পণ করেন। প্রায় তিন বছর হাজতবাসের পর তিনি জামিনে মুক্তি পান। তাদের অন্য দুই ভাই এখনও পলাতক।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ

Theme Created By ThemesDealer.Com